Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

পঞ্চগড় জোনাল অফিস

(ঠাকুরগাও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি)

 শিংপাড়া, পঞ্চগড়।

 

সিটিজেনস চার্জার

(নাগরিক অধিকার)

 

টেলিফোন/মোবাইল নম্বর সমুহ :

 

পদবী

অফিসের নাম

টেলিফোন/মোবাইর নং সমুহ

উপ-মহা-ব্যবস্থাপক

পঞ্চগড় জোনাল অফিস

০৫৬৮-৬১৪৮৪

০১৭৬৯-৪০০২৭৪

সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক (নিপর)

পঞ্চগড় জোনাল অফিস

০১৭৬৯-৪০০৮১৬

জোনাল অফিস

পঞ্চগড় অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৯৩১

ইনচার্জ

বোদা এরিয়া অফিস

০১৭৬৯-৪০১৯২৯

ইনচার্জ

দেবীগঞ্জ অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৯৩৭

ইনচার্জ

আটোয়ারী অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৯৩৯

ইনচার্জ

ভাউলাগঞ্জ অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৯৪০

 

সেবা দপ্তর সমুহঃ জোনাল অফিস/এরিয়া অফিস/অভিযোগ কেন্দ্র

 

জোনাল অফিস এ নতুন সংযোগ, বিল, মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, বিল পবিশোধের ব্যবস্থাসহ সকল ধরনের অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে এবং অভিযোগ কেন্দ্র/এরিয়া অফিস এ বিদ্যুৎ/লাইন বিভ্রাট

 

নতুন সংযোগ গ্রহনঃ

*জোনাল অফিস এ থেকে নতুন সংযোগের আবেদন পত্র পাওয়া যাবে।

*আবেদন পত্রটি যথাযথভাবে পুরন করে নির্ধারিত আবেদন ফি ও প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ জোনাল অফিস এ জমা করলে আপনাকে একটি নিবন্ধন নম্বরসহ পরবর্তী আগমনের তারিখ জানানো হবে।

*পরবর্তী আগমনের তারিখে যোগাযোগ করলে আপনাকে ডিমান্ড নোট ও প্রাক্কলন ইস্যু করা হবে। জোনাল অফিসের ডিমান্ড নোটের উলে­খিত টাকা জমা পূর্বক জমার রশিদ প্রদর্শন করলে সংযোগ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। মিটার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে গ্রাহকের আঙ্গিনায় স্থাপন করা হবে। যদি সংযোগ প্রদান সম্ভবপর না হয় তবে তার কারন জানিয়ে আপনাকে একটি পত্র দেওয়া হবে।

*পরবর্তী মাসের বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল জারী করা হবে।

*জোনাল অফিস থেকে নতুন সংযোগ গ্রহনের নিয়মাবলী ও এতদসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথাবলী সম্বলিত একটি পুস্তিকা সংগ্রহ করা যাবে।

 

বিল সংক্রান্ত অভিযোগঃ

 

*জোনাল অফিস ও নির্ধারিত ব্যাংক এ গ্রাহক বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

*জোনাল অফিস সমুহে বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত অভিযোগের সমাধান দেওয়া হয়।

*অভিযোগ কেন্দ্রে শুধু মাত্র বৈদ্যুতিক লাইন সংক্রান্ত অভিযোগের সমাধান দেওয়া হয়।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগঃ

 

বিদ্যুৎ সরবরাহকে নির্দিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্র আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে আপনাকে অভিযোগ নম্বর ও নিস্পত্তির সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেওয়া হবে। অভিযোগ নম্বরের ক্রমানুসারে আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাট দুরীভুত করার লক্ষ্যে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিস্পত্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে যদি নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দুরীভুত করা সম্ভব না হয় তবে তার কারন গ্রাহককে অবহিত করা হবে।

নতুন সংযোগের জন্য দলিলাদিঃ

নতুন সংযোগের জন্য আবেদন পত্রের সাথে নিম্নোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

*সংযোগ গ্রহনকারীর পাস পোর্ট সাইজের ০২(দুই) কপি সত্যায়িত ছবি।

*নিজস্ব মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি।

*পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাড়ীর অনুমোদিত সত্যায়িত নকশা এবং পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নাম জারীসহ হোল্ডিং নম্বর এবং সত্যায়িত কপি ও দলিল অথবা দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর, জমির দলিল, কমিশনারের সার্টিফিকেট (যেখানে নকশা অনুমোদন নাই)।

*লোড চাহিদার পরিমান।

*জমি/ভবনের ভাড়ার (যদি প্রযোজ্য হয়) দলিল।

*ভাড়ার ক্ষেত্রে মালিকের সম্পত্তি পত্রের দলিল

*পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরন ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি।

*অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে বিবরন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

*বৈধ লাইসেন্সধারী কর্তৃক প্রদত্ত ইন্সুলেশন টেষ্ট (ওয়্যারিং সার্টিফিকেট)।

*ট্রেড লাইসেন্ট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

*সংযোগ স্থানের নির্দেশক নক্সা।

*শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নিমিত্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

*পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমগ্রুভমেন্ট প­ান্ট স্থাপন (শিল্পের ক্ষেত্রে)

*সার্ভিস লাইন এর দৈর্ঘ্য ১০০ ফুটের বেশী হবে না।

*বহুতল আবাসিক/বানিজ্যিক ভবন নির্মাতা ও মালিকের সাথে ফ্ল্যাট মালিকের চুক্তিনামার সত্যায়িত কপি।

৫০কিলোমিটার এর উর্দ্ধে সংযোগের জন্য গ্রাহকের আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

*পৌরসভা অথবা সংশি­ষ্ট হাউজিং কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত বাড়ীর নক্সার (সত্যায়িত কপি)

*উপ-কেন্দ্রের লে-আউট প­ান।

*সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম।

*মিটারিং কক্ষ প্রদানে অঙ্গিকার নামা।

*উপকেন্দ্রে স্থাপিত সকল যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন ও টেষ্ট রেজাল্ট এবং বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তর থেকে প্রদত্ত উপকেন্দ্র সংক্রান্ত ছাড়পত্র।

শিল্প কারখানা ও ৬তলার অধিক ভবনে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

*পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ((প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

*ফায়ার সার্ভিস ও সিডিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্রের কপি।

নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফি

*বাড়ী, বানিজ্যিক, দলগত, দাতব্যপ্রতিষ্ঠান।

০১ জন হইতে ০৯ জন পর্যন্ত                              ঃ      ১০০.০০ টাকা

১০ জন হইতে ২০ জন পর্যন্ত                               ঃ      ১৫০০.০০ টাকা

২১ জন হইতে উর্দ্ধে                                          ঃ      ২০০০.০০ টাকা

*সেচ                                                            ঃ      ২৫০.০০ টাকা

*বাড়ী, বানিজ্যিক, দাতব্য প্রতিষ্টান, একই অবস্থানে                 ঃ      ১০০.০০ টাকা

*অস্থায়ী সংযোগ                                                      ঃ      ১৫০০.০০ টাকা

 

*শিল্প শ্রেনী (জিপি)                                          ঃ      ২৫০০.০০ টাকা

*বৃহৎ শিল্প (এলপি)                                          ঃ      ৫০০০.০০ টাকা

*পোল/লাইনরুট/সার্ভিস ড্রপ স্থানান্তর                           ঃ      ৫০০.০০ টাকা

*লোড বৃদ্ধি (০-১০) কিঃওয়াট পর্যন্ত                             ঃ      ১০০০.০০ টাকা

(১১-৪৫) কিঃওয়াট পর্যন্ত                                            ঃ      ২০০০.০০ টাকা

৪৫ কিঃ ওয়াটে উপরে                                                ঃ      ৫০০০.০০ টাকা

নতুন সংযোগের জন্য জামানতের পরিমানঃ

*বাড়ী, বানিজ্যিক, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ০.৫ কিলোওয়াটের জন্য ৫০০.০০ টাকা এবং ১ (এক) কিলোওয়াট পর্যন্ত লোডের জন্য ৬০০.০০ টাকা।

*বাড়ী, বানিজ্যিক, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ১ কিলোওয়াটের উর্দ্ধে প্রতি কিলোওয়াট লোডের জন্য ৬০০.০০ টাকার অতিরিক্ত ২০০.০০ টাকা হারে।

*সেচ কার্যে অগভীর নলকুপ প্রতি অশ্বশক্তি প্রতি মাসে ১২৫.০০ টাকা (সেচ মৌসুম ৫ মাস) তবে ৩ অশ্বশক্তির জন্য নুন্যতম ৩০০০.০০ টাকা।

*সেচ কায্যে গভীর নলকুপ প্রতি অশ্বশক্তি প্রতিমাসে ১২৫.০০ টাকা (সেচ মৌসুম ৮মাস)

*ক্ষুদ্র শিল্প ০৩(তিন) ফেজ প্রতি কিলোওয়াটের জন্য ১৮৫২.০০ টাকা ৬৭৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত।

*বৃহৎ শিল্প ০৩(তিন) ফেজ প্রতি কিলোওয়াটের জন্য ১৮০৪.০০ টাকা ৬৭৫ কিলোওয়াট এর উর্দ্ধে।

অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ

*মেলা আনন্দ মেলা ধর্মসভা/ধর্মীয় অনুষ্ঠান, নির্মানাধীন সাইট যেমন-রাস্তা, ব্রীজ ইত্যাদিতে অস্থায়ী সংযোগ দেওয়া যাবে কিন্তু নির্মানাধীন বাড়ী, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং কমপে­ক্সে অস্থায়ী সংযোগ দেওয়া যাবে না। ইহা সম্পুর্ন রুপে অস্থায়ী সংযোগ হিসাবে বিবেচিত হবে যাহা কখনই স্থায়ী সংযোগ হিসাবে রুপান্তরিত করা যাবে না। এই জাতীয় সংযোগের ক্ষেত্রে নিম্নবর্নিত শর্তাবলী ও নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

(ক) এই সংযোগের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল বইয়ে লিপিবদ্ধ মুল্যের উপর ১১০% মুল্য প্রদান করতে হবে (ট্রান্সফরমার) লাইটিং এরেষ্টার, ফিউজ কাট আউট, মিটার সকেট ব্যতীত)।

(খ) সংযোগ ও বিচ্ছিন্ন করন ফি সহ বর্নিত সংযোগ সুবিধা প্রদানের জন্য লেবার খরচ প্রদান করতে হবে।

(গ) সংযোগের জন্য চুক্তিপত্রে উলে­খিত সময়ের ব্যবহৃত ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল অপরাপর চার্জ তফসিল জিপি অনুযায়ী করতে হবে।

(ঘ) যদি অস্থায়ী সংযোগের স্থিতিকার ০৬ মাসের অতিরিক্ত না হয় তবে আবেদনকারী গ্রাহককে ক,খ ও গ (হিসাবকৃত বিদ্যুৎ বিল) এর উলে­খিত সকল খরচ অগ্রীম প্রদান করতে হবে।

(ঙ) যদি অস্থায়ী স্থিতিকাল নির্দিষ্ট সময়ের অতিরিক্ত এবং এক বৎসরের মধ্যে হলে সমিতির মহা-ব্যবস্থাপক তাহা অনুমোদন দিতে পারবেন। যদি স্থিতিকাল ১ বৎসরের অধিক প্রয়োজন হয় তবে উহা সমিতি বোর্ডের অনুমোদন নিতে হবে।

এই ক্ষেত্রে উপরে ক এবং খ বর্নিত খরচসহ ক্লজ ১ (গ) (জিপি এবং এলপি তফসিল) এর শর্তাবলী এবং নিয়মাবলী নিরাপত্তা জামানত প্রদান করতে হবে। এই &&ক্ষত্রে মাসিক বিদ্যুৎ বিল তৈরী করা হবে।

(চ) ০১। যদি পৃথক ট্রান্সফরমার স্থাপন প্রয়োজন হয়ে থাকে তবে গ্রাহককে ট্রান্সফরমার স্থাপন ও অপসারন খরচ ১ ফেজ এর ক্ষেত্রে ২০০০.০০ (দুই হাজার) টাকা এবং তিন ফেজ এর ৪০০০.০০ (চার হাজার) টাকা পরিশোধ করতে হবে।

০২। এই ক্ষেত্রে ১ ফেজের জন্য মাসিক ট্রান্সফরমার ভাড়া ১০০০.০০ (এক হাজার) টাকা এবং ০৩ ফেজ ব্যাংক এর ক্ষেত্রে ২০০০.০০ (দুই হাজার) টাকা অথবা প্রতি কেভিএ ১০০.০০ টাকা যেটা বেশী পরিশোধ করতে হবে।

(ছ) চুক্তি সমাপ্তির পর যখন অস্থায়ী সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়ে থাকে এবং গ্রাহক কর্তৃক ব্যবহৃত মালামাল ভাল অবস্থায় ষ্টোরে ফেরত প্রদান করা হয়ে থাকে তখন ব্যবহৃত মালামালের ১০০% (শতকরা একশত ভাগ) তাহার হিসাবের বিপরীতে সমন্বয় হবে।

 

(জ) গ্রাহকের কারনে কোন মালামাল / যন্ত্রপাতি বিনষ্ট হলে তবে ১০০% মুল্য গ্রাহকের নিকট হতে আদায় করতে হবে।

(ঝ) প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহার এবং উপরে উলে­খিত পদ্ধতি অনুযায়ী গ্রাহক কর্তৃক অতিরিক্ত প্রদান বা গ্রাহকের কাছে পাওনা থাকলে তাহা চুড়ান্তভাবে সমন্বয় করতে হবে।

লোড পরিবর্তন

*লোড পরিবর্তনের সমীক্ষা ফি প্রদান করতে হবে।

*চুক্তি পরিবর্তনের ফি প্রদান করতে হবে।

*লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য অনুযায়ী কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে।

*অতিরিক্ত লোডের জন্য সার্ভিস তার/মিটার বদলানোর প্রয়োজন হলে উক্ত ব্যয় গ্রাহককে বহন করতে হবে।

*প্রাক্কলন ও জামানতের অর্থ জমা দানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে লোড বৃদ্ধিকার্য়কর করা হবে। যদি লোড বৃদ্ধি করা সম্ভবপর না হয় তবে কারন জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেওয়া হবে।

গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতিঃ

*গ্রাহক ক্রয় সূত্রে/ওয়ারিশ সুত্রে/নিজ সুত্রে জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপিসহ নির্ধারিত ফি জোনাল অফিসে জমা করে আবেদন করতে হবে। সরেজমিনে তদন্ত করে নাম পরিবর্তনের জন্য বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে। গ্রাহক জামানত বাবদ উক্ত বিল বির্ধারিত দপ্তরে পরিশোধ করে তার রশিদ সংশি­ষ্ট দপ্তরে জমা দিলে ০৭(সাত) দিনের মধ্যে নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হবে।

ঠাকুরগাও পল­ী বিদ্যুৎ সমিতির বিদ্যমান বিদ্যুতের মুল্যহার

(০১/১২/২০১১ ইং হতে প্রযোজ্য)

ক্রমিকনং

গ্রাহক শ্রেনী

প্রতি ইউনিট মুল্য (টাকায়)

০১

শ্রেনীঃ- আবাসিক

(ক) প্রথম ধাপঃ ০০ হতে ৫০ ইউনিট

(খ) দ্বিতীয় ধাপঃ ১ হতে ৭৫ ইউনিট

(গ) তৃতীয় ধাপঃ ৭৬ হতে ২০০ ইউনিট

(ঘ) চতুর্থ ধাপঃ ২০১ হতে ৩০০ ইউনিট

(ঙ) পঞ্চম ধাপঃ ৩০১ হতে ৪০০ ইউনিট

(চ) ষষ্ঠ ধাপঃ ৪০১ হতে ৬০০ ইউনিট

(ছ) সপ্তম ধাপঃ ৬০১ ইউনিট এর উপরে

 

৩.৮৫

৩.৮৭

৫.০১

৫.১৯

৫.৪২

৮.৫১

৯.৯৩

০২

শ্রেনীঃ- কৃষি কাজে ব্যবহৃত পাম্প (সেচ)

৩.৮৫

০৩

শ্রেনীঃ- ক্ষুদ্র শিল্প

(ক) ফ্ল্যাট রেট

৭.৪২

০৪

শ্রেনীঃ- রাস্তার বাতি

৬.৯৩

নুন্যতম-২৫০.০০

(প্রতিমাসে)

০৫

শ্রেনীঃ- বানিজ্যিক

(ক) এক ফেজ

(খ) তিন ফেজ

 

৯.৫৮

৯.৫৮

০৬

শ্রেনীঃ- বৃহৎ শিল্প (এলপি)

(ক) ফ্ল্যাট রেট

 

 

৭.৩২

০৭

শ্রেনীঃ- সিআই (দাতব্য প্রতিষ্ঠান)

৪.৯৮

উপরোক্ত বিদ্যুতের মুল্যহারের সাথে নুন্যতম চার্জ, ডিমান্ড চার্জ, সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য শর্তাবলীসহ মুল্য সংযোজন কর যথাীতি প্রযোজ্য হবে। বিদ্যুতের মুল্যহার সরকার কর্তৃক অনুমোদিত এবং পরিবর্তন যোগ্য।

 

 

 

 

উপকেন্দ্র ভিত্তিক বিদ্যুৎ চাহিদা (মার্চ-২০১১ পর্যন্ত)

ক্রঃনং

ফিডারের নাম

উপকেন্দ্রের নাম

ক্ষমতা এমভিএ

সর্বোচ্চ চাহিদা (মেঃওঃ)

 

 

বোদা

১০

০৯

 

১২

দেবীগঞ্জ

১০

০৯

০২

পঞ্চগড়

আটোয়ারী

১০

০৯

০৮

 

পঞ্চগড়

১০

০৯

মোট-

৪০

৩৬

২০

 

ক্রঃনং

পিক আওয়ার

পিক চাহিদা (মেঃওঃ)

অফ-পিক আওয়ার

অফ-পিক চাহিদা (মেঃওঃ)

০১

সন্ধ্যা ৬.০০ টা

রাত্রি ১১.০০ টা

২১

 রাত্রি ১১.০০ টা

পরদিন সন্ধ্যা ৬.০০ টা

১২

 

*পিক সময়ঃ বিকাল ৬.০০ টা থেকে রাত ১১.০০ টা পর্যন্ত

*অফ-পিক সময়ঃ রাত ১১.০০ টা থেকে পরদিন বিকাল ৬.০০ টা পর্যন্ত।

গ্রাহকের জ্ঞাতব্য বিষয়ঃ

সন্ধ্যা পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন। আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে আলো জ্বালাতে সহায়তা করবে।

*সংযোগ বিচ্ছিন্ন এড়াতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন এবং বিলম্ব মাশুল পরিশোধে ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকুন।

*প্রয়োজনে বিচ্ছিন্নকারী দলের নিকট পরিশোধিত বিল কপি প্রদর্শন করুন।

*বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় করে মান সম্মত এনার্জি সেভিং বাল্ব (সিএফএল) ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করুন।

*টিউব লাইটে (ইলেকট্রনিক ব্যালাষ্ট) ব্যবহার করুন।

*বিদ্যুৎ একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ।

*দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই সম্পদের সুষ্ট ও পরিমিত ব্যবহারে ভুমিকা রাখুন।

*বৎসরান্তে পবিস হইতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের প্রমান পত্র প্রদান করা হয়ে থাকে।

*মিটার সংরক্ষনের দায়িত্ব আপনার। এর সঠিক অবস্থা ও সীল সমুহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

*লোড শেডিং সংক্রান্ত তথ্য সংশি­ষ্ট এলাকার আওতাধীন অভিযোগ কেন্দ্র থেকে জানা যাবে।

*বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার থেকে নিজে বিরত থাকুন ও অন্যকে নিবৃত করুন। বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার রোধে আপনার জ্ঞাত তথ্য অভিযোগ কেন্দ্র এ অবহিত করে সহযোগীতা করা আপনার দায়িত্ব।

*ইদানিং একটি সংঘবদ্ধ অসাধু চক্র চালু লাইন হতে ট্রান্সফরমার / বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি / তার চুরির সাথে জড়িত। সুতরাং আপনার এলাকার উপরিউক্ত চুরিরোধে পাহাড়া / তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করুন।

*কোন কারনে বিদ্যুৎ বিল কপি হারিয়ে গেলে / নষ্ট হলে / না পাওয়া গেলে হিসাব নং উলে­খ্য পূর্বক অফিসে যোগাযোগ করুন।

*আপনার সংযোগ সংক্রান্ত যে কোন যোগাযোগে অবশ্যই হিসাব নং উলে­খ করুন।

     অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার, মিটারে হস্তক্ষেপ, বাইপাশ, বিনা অনুমতিতে সংযোগ গ্রহন ইত্যাদি ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা।

বিদ্যুৎ আইনের Elecetricity Act-1910 & AS Amended The Elecetricity Act-2006 ( Amendment)৩৯ ধারা অনুসাএেক্ষেত্রে নুন্যতম ০১ (এক) বছর হতে ০৩(তিন) বছর এবং ১০,০০০.০০ (দশ হাজার) টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। তাছাড়া অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মুল্য তিনগুন হারে (পেনাল হারে) বিল প্রদান করা হবে। এছাড়া ও উক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের দ্বারা যদি বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থার বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম মিটারিং ইউনিট ইত্যাদি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তবে ক্ষতিগ্রস্থ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, মিটার, মিটারিং ইউনিট ইত্যাদি পুনরায় সচল করা গেলে মেরামত খরচ অথবা সম্পুর্ন ধ্বংশ প্রাপ্ত বা পুনরায় সচল করা যাবে না, এরুপ সরঞ্জামের জন্য পুনঃস্থাপনের ব্যয়সহ প্রকৃত মুল্য আদায় করা হবে।